• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

শ্বেতার বাংলা সিনেমা!

setaবিনোদন ডেস্ক : ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদ গত বছর খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন হায়দ্রাবাদের বাঞ্জারা হিলসের একটি হোটেল থেকে দেহব্যবসার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে। এরপর ৫৯ দিন রেসকিউ হোমসে কাটাতে হয়েছে তাকে।

পরবর্তীতে আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদ। কিন্তু সেই বিতর্কের জেরে অনেকটাই ধাক্কা খায় ২৪ বছর বয়সী শ্বেতার ক্যারিয়ার। আর কোনো সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি। তবে তিনি হার মানেনি। নিজের অভিনয় নিয়ে সংগ্রাম এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

সম্প্রতি জানা গেছে, শ্বেতা অভিনীত ২০০৮ সালের একটি বাংলা সিনেমা আগামী মাসে টালিউডে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। সিনেমাটির নাম এক নদীর গল্প। ২০০৮ সালে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এতদিন মুক্তি দেওয়া হয়নি এক নদীর গল্প সিনেমাটি। ১৫ বছর বয়সে এই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন শ্বেতা।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সমীর চন্দ। এতে শ্বেতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, যীশু সেনগুপ্ত প্রমুখ। সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘একটি নদীর নাম’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল সিনেমাটি। বাবা ও মেয়ের সম্পর্কের চড়াই উতরাই ঘিরেই তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। এই সিনেমায় বাবা ও মেয়ের ভূমিকায় মিঠুন ও শ্বেতা যথাক্রমে অভিনয় করেছেন।

এখানে মিঠুনের চরিত্রের নাম দ্বারকেশ্বর ও শ্বেতার চরিত্র অনু। অনুর কাছে তার বাবা দ্বারকেশ্বর একজন ‘নায়ক’। আর বাবার জন্য মেয়ে অনু তার গর্ব, তার জীবন, তার আনন্দ। কিন্তু হঠাৎ এমন একটি ঘটনা ঘটে যা উথালপাথাল করে দেয় দ্বারকেশ্বর ও অনুর জীবন। কিন্তু কীভাবে সেই জীবনের প্রতিকুলতার সঙ্গে লড়াই করে মেয়ের জন্য দেখা স্বপ্ন পূরণ করবে তাই নিয়েই এগিয়ে যাবে গল্প।
সমালোচকরা বলছেন, পুরোনো সিনেমা হলেও এই সিনেমার হাত ধরেই ফের অভিনয় জগতে নিজের টিকে থাকার লড়াইটা শ্বেতা লড়তে পারেন কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

উল্লেখ্য, মাত্র ১১ বছর বয়সে হিন্দি সিনেমা মাকড়ি-তে প্রথম অভিনয় করেন তিনি। চুন্নি ও মুন্নির দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৫ সালে ইকবাল ও ২০০৬ সালে ডরনা জরুরি হ্যায় সিনেমার সুবাদে বলিউডের স্বীকৃতি পান শ্বেতা। পাশাপাশি টিভি সিরিয়ালেও অভিনয় করেন। এরপর তেলেগু সিনেমায় ডাক পেয়ে হায়দরাবাদ পাড়ি দেন শ্বেতা এবং সেখানে বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ